বরাদ্দের চিঠি আসে রাতে। পরদিন ১৪ হাজার ৫৩টি দরপত্র বিক্রি হয়। এই দরপত্র জমা নিতে বাক্সের বদলে ডেকোরেটর থেকে রঙিন কাপড় ভাড়া এনে একটি দরপত্রকক্ষ বানানো হয়। তাতে ১২ উপজেলার প্রতিটির জন্য একটি করে খোপ বানানো হয়। ২৩ জুন এভাবেই বগুড়ার ১২টি উপজেলায় ১৭৪টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণকাজের দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় এসব সেতু ও কালভার্ট নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে... বিস্তারিত
from https://ift.tt/32aYbWq প্রথম আলো
Rejaul Islam Ratul