ঘটনাটা গত শতকের আশির দশকের। আমরা প্রথম ইউরোপ সফরে যাই। সঙ্গে ছিল আমার স্ত্রী আবিদা সুলতানা, ছেলে ফারসিদ ও শ্যালক শওকত আলী ইমন। সুবীর নন্দীর সঙ্গে ছিল তাঁর স্ত্রী পূরবী আর মেয়ে ফাল্গুনী। লন্ডনে আমরা দুটি প্রোগ্রাম করেছি। এরপর যাব স্টকহোমে। সেদিনই আমাদের লন্ডনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। স্টকহোমে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে এসেছি। দেখি, সুবীর নন্দীর চেহারায় কোনো ভাবানাচিন্তা নেই। ফুরফুরে মেজাজ।... বিস্তারিত
from http://bit.ly/300v1rI প্রথম আলো
Rejaul Islam Ratul